ঢাকা, রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ২০ চৈত্র ১৪২৯, ১০ জ্বমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

রেমিট্যান্সে বড় ধাক্কা



রেমিট্যান্সে বড় ধাক্কা

বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ সব ধরনের পণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী। বাড়ছে বাণিজ্য ঘাটতি, বাড়ছে ডলারের দাম। কমছে রেমিট্যান্স। আসঙ্কাজনকভাবে কমছে রিজার্ভ। সংকটে পড়ছে অর্থনীতি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত ৭ মাসে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স এসেছে সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে। এ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৩ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। প্রতি ডলার ১০৮ টাকা হিসাবে এর পরিমাণ ১৬ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। গত ৭ মাসের মধ্যে এটিই প্রবাসীদের পাঠানো সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্যমতে, সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বরে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে মোট ১৫৩ কোটি ৯৫ লাখ ডলার বা প্রায় ১.৫৪ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা গত বছরের (২০২১ সালের সেপ্টেম্বর) একই সময়ের চেয়ে ১৮ কোটি ৭২ লাখ ডলার কম। গত বছরের সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার বা প্রায় ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার।

আলোচিত সময়ে (সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ ব্যাংকের মাধ্যমে ২৪ কোটি ৬২ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১২৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার। একই সময়ে বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬১ লাখ ডলার এবং বিশেষায়িত এক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২ কোটি ৪১ ডলার।

অর্থনীতিবীদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ড. আনু মোহাম্মদ দৈনিক আনন্দবাজারকে বলেন, বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠাচ্ছে। কিন্তু দেশের টাকা চুরি করে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। আমদানীর নামে বিদেশে প্রচুর টাকা যাচ্ছে। সেগুলো বন্ধ করতে পারেনি। সরকার এবিষয়ে কিছুই করছে না। অপ্রয়োজনীয় খাতে অর্থ খরচ করলে রিজার্ভ আরো বেশি সংকটে পড়বে। এসব খাতে খরচ কমানো গেলে কিছুটা স্বস্থি ফিরতে পারে বলে জানান এই অর্থনীতিবীদ।


   আরও সংবাদ