ঢাকা, শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২০ জৈষ্ঠ্য ১৪২৯, ১২ রজব ১৪৪৪

ইরান কেন ইসরায়েল আক্রমণ করে না?



ইরান কেন ইসরায়েল আক্রমণ করে না?

ইসরায়েল আজকে এমন একটা অবস্থানে খোদ আমেরিকারও লাগাম টানার ক্ষমতা নেই। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ ডেমোক্রটিক প্রার্থী ব্যানি স্যান্ডার্স। নিজে ইহুদি হলেও ইসরায়েলের বিরোধিতার কারণে তাকে খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে। একই পরিণতি বরণ করতে হয়েছে ব্রিটেনের লেবার পার্টির প্রধান জেমস করবিনকে। নোবেল পুরস্কার চালু হওয়ার পর থেকে ২০৩ জন ইহুদি নোবেল পেয়েছেন। তারা যোগ্যতার জোরেই পেয়েছেন।

ইসরায়েলের শিক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে সাজানো একজন ইহুদি শিক্ষা জীবন শেষ হওয়ার সাথে সাথে হিব্রু, আরবী ও ইংরেজী ভাষা খুব ভালভাবে রপ্ত করেন। আমেরিকায় ইহুদিদের সংখ্যা ১ কোটির চেয়ে বেশি হবে। আইপ্যাক নামে ইহুদিদের সংগঠন রিপাবলিকান, ডেমোক্রেটিক উভয় দলে কাড়ি কাড়ি টাকা ঢালেন। আপনারা সকলেই জানেন রাজনীতি করতে গেলে টাকা লাগবেই। অর্থাৎ ইহুদিরা পরোক্ষভাবে আমেরিকার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে।

ইসরায়েলের জনসংখ্যা ১ কোটির উপরে এবং প্রত্যেকেরই রয়েছে সামরিক প্রশিক্ষণ এবং অস্ত। ইসরায়েলে প্রত্যেক পুরুষকে ৩ বছর এবং মহিলাদের ২ বছর বাধ্যতামূলকভাবে সামরিক বাহিনীতে সার্ভিস দিতে হয়।

যেখানে কাতার ও কুয়েত ব্যতীত সমস্ত আরব দেশ বিশ্বাসঘাতকতা করছে তাহলে স্রোতের বিপরীতে ইরানের কি করার আছে বলুন।

লিখেছেন: মুহাম্মদ মাকসালমিন।


   আরও সংবাদ