ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩২, ৭ রমজান ১৪৪৭

মোটা হওয়ার জন্য খাবার দায়ী নয়, নেপথ্যে রয়েছে অন্য খেলা, যা বলছেন গবেষকরা!



মোটা হওয়ার জন্য খাবার দায়ী নয়, নেপথ্যে রয়েছে অন্য খেলা, যা বলছেন গবেষকরা!

সহকর্মী, বন্ধু-বান্ধব কিংবা পাড়া প্রতিবেশির খাবার-দাবারে নেই কোনো ধরণের নিয়ন্ত্রণ নাই। তবুও তাদের স্বাস্থ্য অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন নাই। আপনি খাবার-দাবারে তাদের চেয়ে বেশি সচেতন হওয়ার পরেও আপনার চেয়ে তারা অনেক স্মার্ট। তাদের শরীরে এক বিন্দু মেদও নেই। অথচ আপনি কম খান বা মেপে খান, ক্যালোরি এক ফোঁটাও কমছে না। উল্টে চর্বির স্তর জমছে পেটে। ওজনও বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। এর কারণ কী? 

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন ভারতের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের বিজ্ঞানীরা। যুক্তি দিয়ে গবেষকেরা জানিয়েছেন, রোগা বা মোটা হওয়ার জন্য কেবল খাবারের পরিমাণ দায়ী নয়। এর নেপথ্যে রয়েছে হরমোনের খেলা ও কিছু জিনের কারসাজি।

শুরুতেই বলা যেতে পারে  মেটাবলিজমের বিষয়ে (মেটাবলিজম বা বিপাক হলো শরীরের একটি ধারাবাহিক রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যা খাদ্য ও পানীয়কে ২৪/৭ শক্তি (ক্যালোরি) উৎপাদন ও ব্যয়ে রূপান্তরিত করে)। হার্ভার্ডের গবেষকদের বক্তব্য, প্রত্যেকের ‘বেসাল মেটাবলিক রেট’ (বিএমআর) আলাদা। বিপাকহার যার বেশি, তিনি অনেক খেয়েও হজম করে ফেলতে পারবেন। আর যার কম, তিনি পানি খেয়েও ফুলে যাবেন। বিএমআর বেশি হলে অনেক বেশি ক্যালোরি পোড়ে খুব কম সময়ে। এমনকি, বিশ্রামের সময়েও। তাই এমন মানুষজন খেয়েদেয়ে, শুয়ে-বসে কাটিয়েও মোটা হবেন না। 

দ্বিতীয়ত পেশির ঘনত্ব। ক্যালোরি পোড়াতে পেশিরও বড় ভূমিকা আছে। পেশির ঘনত্ব বেশি হলে খুব তাড়াতাড়ি ক্যালোরি ক্ষয় হয়। শরীরে জমা মেদ পুড়িয়ে তা থেকে শক্তি আহরণ করে পেশি। সে জন্য পেশিবহুল ও বিপাকহার বেশি, এমন লোকজন পরিমাণে অনেক বেশি খেয়েও মেদহীন চেহারা ধরে রাখতে পারেন। অবশ্য এর জন্য শরীরচর্চাও প্রয়োজন। নিয়মিত ব্যায়ামে পেশির ঘনত্ব ও শক্তি দুইই বাড়বে এবং অনেক বেশি ক্যালোরি পুড়বে।


   আরও সংবাদ